জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অক্টোবর মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ, নতুন বেসিকে বেতন বিল দাখিল এবং আগের মাসগুলোর বকেয়া সমন্বয় নিয়ে আলোচনা চলছে। পে-ফিকেশন সম্পন্ন হওয়ার পরও বেতন বিল দাখিলের সময়, অনুমোদনপ্রক্রিয়া এবং নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী অর্থ পাওয়ার বিষয়ে অনেকের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে অক্টোবর মাসের বেতন বিল দাখিলের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে একটি ছক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে পে-ফিকেশন অনুমোদনের তারিখ অনুযায়ী বিভিন্ন সময়সীমা, পুরোনো ও নতুন বেতন স্কেলে বিল দাখিলের বিকল্প এবং বকেয়া বেতন-ভাতা সমন্বয়ের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
প্রদর্শিত ছক অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত অনুমোদিত বেতন নির্ধারণীর ক্ষেত্রে ২৮ অক্টোবর থেকে নতুন বেতন স্কেলে বিল দাখিলের কথা উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে, ২৬ থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে অনুমোদন পাওয়া এবং নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত প্রক্রিয়াধীন থাকা বেতন নির্ধারণীর জন্য পৃথক সময়সীমা দেখানো হয়েছে।
তবে ছকটির সরকারি অনুমোদন ও কার্যকারিতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ফলে এতে উল্লেখিত তারিখগুলোকে চূড়ান্ত সরকারি নির্দেশনা হিসেবে বিবেচনা না করে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
পে-ফিকেশন সম্পন্ন হলেও বেতন বিল দাখিলে জটিলতা কেন?
নতুন বেতন স্কেলে পে-ফিকেশন সম্পন্ন হওয়া মানেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন বিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন বেসিকে দাখিল হয়ে যাবে, এমন নয়। বেতন নির্ধারণীর অনুমোদন, প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই, দাপ্তরিক প্রক্রিয়া এবং iBAS++-এ বিল প্রস্তুতের কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।
কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন নির্ধারণী প্রস্তুত হলেও সেটি হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকতে পারে। আবার অনুমোদন সম্পন্ন হওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বেতন বিল প্রস্তুতকারী শাখাকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হতে পারে।
এ কারণে একই সময়ে পে-ফিকেশন সম্পন্ন করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সবার বেতন বিল একই দিনে দাখিল করা সম্ভব নাও হতে পারে।
অক্টোবর মাসের বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা এড়াতে তাই শুধু পে-ফিকেশন সম্পন্ন হয়েছে কি না, সেটি দেখলেই হবে না; বেতন নির্ধারণীর অনুমোদন এবং বিল দাখিলের বর্তমান অবস্থাও জানতে হবে।
২৮ অক্টোবর থেকে নতুন বেসিকে বিল দাখিলের কথা
প্রচারিত সময়সূচির প্রথম অংশে বলা হয়েছে, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত হিসাবরক্ষণ কার্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত বেতন নির্ধারণীর ক্ষেত্রে জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী ২৮ অক্টোবর থেকে বেতন বিল দাখিল করা যাবে।
একই অংশে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত প্রাপ্য বকেয়া বেতন-ভাতা ম্যানুয়ালি পরিশোধ ও সমন্বয়ের বিষয়ও উল্লেখ রয়েছে।
এ তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদন পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী বিল প্রস্তুতের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তবে এখানে দুটি বিষয় আলাদা করে দেখা জরুরি। প্রথমটি হলো বেতন বিল দাখিলের সময়, দ্বিতীয়টি হলো বেতন পরিশোধের সময়। বিল দাখিলের নির্ধারিত তারিখ থাকলেও যাচাই, অনুমোদন ও অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে।
সুতরাং, ২৮ অক্টোবর থেকে বিল দাখিলের উল্লেখকে সবার ব্যাংক হিসাবে ওই দিনই বেতন জমা হওয়ার নিশ্চয়তা হিসেবে ব্যাখ্যা করা ঠিক হবে না।
২৬ থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে অনুমোদন পেলে কী হবে?
প্রদর্শিত ছকের দ্বিতীয় অংশে ২৬ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত হিসাবরক্ষণ কার্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত বেতন নির্ধারণীর জন্য দুটি বিকল্প সময়সূচি উল্লেখ করা হয়েছে।
একটি বিকল্পে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বেতন বিল দাখিলের কথা বলা হয়েছে। অন্য বিকল্পে জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে বিল দাখিলের সময় দেখানো হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে কোন বিকল্পটি কার্যকর হবে, তা অনুমোদিত নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন নির্ধারণীর অবস্থার ওপর নির্ভর করতে পারে।
বেতন নির্ধারণীর অনুমোদন, বিল প্রস্তুত এবং নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী বিল দাখিলের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে দাপ্তরিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হতে পারে।
তাই বেতন বিল দাখিলের আগে সংশ্লিষ্ট ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসার (DDO) এবং হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে অনুমোদন হলে বেতন বিলের সময় কীভাবে নির্ধারিত হবে?
ছবিতে ১ নভেম্বর থেকে ৫ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনুমোদিত বেতন নির্ধারণীর ক্ষেত্রেও পৃথক সময়সূচি দেখানো হয়েছে।
এখানে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ৫ নভেম্বর পর্যন্ত বেতন বিল দাখিলের একটি বিকল্প রয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী ৬ নভেম্বর থেকে বিল দাখিলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এই সময়সূচি কার্যকর হলে পে-ফিকেশনের অনুমোদন দেরিতে সম্পন্ন হওয়া কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর অক্টোবর মাসের বেতন বিল দাখিলের সময় অন্যদের তুলনায় পিছিয়ে যেতে পারে।
তবে এটি একটি প্রচারিত ছকের তথ্য। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা ছাড়া এসব তারিখকে নিশ্চিত সরকারি সময়সীমা হিসেবে প্রচার করা উচিত নয়।
৫ নভেম্বর পর্যন্ত পে-ফিকেশন প্রক্রিয়াধীন থাকলে করণীয় কী?
প্রদর্শিত ছকের শেষ অংশে বলা হয়েছে, ৫ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত যেসব বেতন নির্ধারণী হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে প্রক্রিয়াধীন থাকবে, সেসব ক্ষেত্রে অক্টোবর মাসের বেতন বিল জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী দাখিলের কথা উল্লেখ রয়েছে।
এ ছাড়া জুলাই থেকে অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত প্রাপ্য বকেয়া বেতন-ভাতা ম্যানুয়ালি পরিশোধ ও সমন্বয়ের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।
তবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে পুরোনো বেতন স্কেলে বিল দাখিল করা হলে পরবর্তী সময়ে নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ ও বকেয়া সমন্বয় কীভাবে হবে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার ওপর নির্ভর করবে।
যাঁদের পে-ফিকেশন এখনো অনুমোদিত হয়নি, তাঁদের নিজের সিদ্ধান্তে বেতন বিলের পদ্ধতি পরিবর্তন না করে সংশ্লিষ্ট অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা উচিত। একই সঙ্গে বেতন নির্ধারণী অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় কোনো তথ্য বা নথি বাকি রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন।
জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বকেয়া বেতন-ভাতা নিয়ে কী জানা প্রয়োজন?
প্রচারিত সময়সূচিতে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর এবং জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত প্রাপ্য বকেয়া বেতন-ভাতা ম্যানুয়ালি পরিশোধ ও সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছে। তবে সবার জন্য একই সময়ের বকেয়া প্রযোজ্য হবে কি না, তা নিশ্চিত নয়।
বকেয়া বেতন-ভাতার পরিমাণ নির্ধারণে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমত, কার্যকর তারিখ: সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর ক্ষেত্রে নতুন বেতন স্কেল কোন তারিখ থেকে কার্যকর, তা যাচাই করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, অনুমোদিত মূল বেতন: পে-ফিকেশনে কোন মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সেটি অনুমোদিত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে।
তৃতীয়ত, আগে পরিশোধিত অর্থ: সংশ্লিষ্ট মাসগুলোতে কত টাকা বেতন ও ভাতা দেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে নতুন হিসাবে প্রাপ্য অর্থের পার্থক্য নির্ধারণ করতে হবে।
চতুর্থত, ভাতার হিসাব: সব ভাতা একই হারে বা একই সময় থেকে কার্যকর হবে, এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়। প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী প্রতিটি ভাতার হিসাব করতে হবে।
পঞ্চমত, সমন্বয়ের পদ্ধতি: বকেয়া হিসাব প্রস্তুত, বিল দাখিল, অনুমোদন এবং অর্থ ছাড়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
এখানে মনে রাখতে হবে, বকেয়া হিসাব করা এবং অর্থ ব্যাংক হিসাবে জমা হওয়া এক বিষয় নয়। তাই বকেয়া সমন্বয়ের কথা উল্লেখ থাকলেও নির্দিষ্ট তারিখে অর্থ পাওয়া নিশ্চিত বলে ধরে নেওয়া যাবে না।
iBAS++-এ নতুন বেসিকে বেতন বিল দাখিল না হলে কী করবেন?
জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী পে-ফিকেশন সম্পন্ন করার পরও iBAS++-এ বেতন বিল দাখিল করতে সমস্যা হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধাপে ধাপে বিষয়টি যাচাই করা উচিত।
১. পে-ফিকেশন অনুমোদন যাচাই: বেতন নির্ধারণী প্রস্তুত হয়েছে, নাকি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনও পেয়েছে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
২. বেতন নির্ধারণীর তথ্য পরীক্ষা: পদ, গ্রেড, মূল বেতন, ইনক্রিমেন্ট এবং কার্যকর তারিখের তথ্য সঠিক আছে কি না, তা যাচাই করতে হবে।
৩. সংশ্লিষ্ট DDO-এর সহায়তা নেওয়া: বেতন বিল প্রস্তুত বা দাখিলের সময় কোনো ত্রুটি দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট ডিডিওর মাধ্যমে সমস্যাটি শনাক্ত করা যেতে পারে।
৪. হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ: অনুমোদন বা বিল দাখিলের বিষয়ে কোনো জটিলতা থাকলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের নির্দেশনা নিতে হবে।
৫. বিকল্প পদ্ধতি অনুসরণের আগে নিশ্চিত হওয়া: পুরোনো বেতন স্কেলে বিল দাখিল করতে হবে, নাকি নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী বিল প্রস্তুত করতে হবে, তা অনুমোদিত নির্দেশনার ভিত্তিতে নির্ধারণ করতে হবে।
প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা অনুমোদনসংক্রান্ত জটিলতার কারণে বিল দাখিল সম্ভব না হলে সমস্যার সুনির্দিষ্ট তথ্য সংরক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো উচিত।
বেতন পাওয়ার তারিখ নিয়ে কেন সতর্ক থাকা প্রয়োজন?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেতন বিল দাখিলের সময়সূচি প্রকাশিত হলে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী সেটিকে বেতন পাওয়ার নির্দিষ্ট তারিখ হিসেবে ধরে নিতে পারেন। কিন্তু বাস্তবে বিল দাখিল, বিল যাচাই, অনুমোদন এবং ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা হওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
কোনো নির্দিষ্ট তারিখে বিল দাখিলের সুযোগ থাকলেও সব দপ্তরের বিল একই সময়ে প্রস্তুত হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। আবার বকেয়া বেতন-ভাতা সমন্বয়ের বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও অর্থ ছাড়ের নির্দিষ্ট সময় নিশ্চিত হয় না।
এ কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উচিত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নোটিশ, হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের নির্দেশনা এবং iBAS++-এর প্রকৃত অবস্থা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
শেষ কথা
জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী অক্টোবর মাসের বেতন বিল দাখিল, পে-ফিকেশন অনুমোদন এবং বকেয়া বেতন-ভাতা সমন্বয় নিয়ে প্রচারিত সময়সূচিতে কয়েকটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু করে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ের কথা উল্লেখ রয়েছে।
তবে এসব তথ্যের ভিত্তিতে সবার বেতন একই দিনে পরিশোধ হবে কিংবা নির্দিষ্ট তারিখে বকেয়া অর্থ ব্যাংক হিসাবে জমা হবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নিজের পে-ফিকেশনের অনুমোদন, বেতন নির্ধারণীর কার্যকর তারিখ এবং বেতন বিল দাখিলের অবস্থা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি বকেয়া বেতন-ভাতা পাওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা যাচাই করা প্রয়োজন।




