মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশিত পোস্ট ১৬১টি ক্যাটাগরি ২০টি
সর্বশেষ আপডেট ১১:২৩ অপরাহ্ণ লাইভ

পে স্কেল • পেনশন • ছুটি • সরকারি প্রজ্ঞাপন ও গেজেটের সর্বশেষ আপডেট

সরকারি আপডেট
সরকারি ওয়েবসাইটের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন, গেজেট ও পরিপত্র এখানে দেখা যাবে
পে-স্কেল ২০২৬

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬: চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন, পেনশন ও ভাতা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬: চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন, পেনশন ও ভাতা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬: চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন ও পেনশন নিয়ে অর্থ বিভাগের নির্দেশনা

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬: চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন, পেনশন ও ভাতা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৯ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ কার্যকর হওয়ার প্রেক্ষাপটে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ, পেনশন-সংশ্লিষ্ট সুবিধা এবং অন্যান্য আর্থিক প্রাপ্যতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জারি করা প্রজ্ঞাপনে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার পর বিভিন্ন শ্রেণির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে কীভাবে বেতন ও সংশ্লিষ্ট সুবিধা বিবেচনা করতে হবে, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনটি সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলেই সব ধরনের নিয়োগের ক্ষেত্রে একই নিয়মে বেতন ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণ করা যায় না। নিয়োগের ধরন, পূর্ববর্তী বেতন এবং প্রযোজ্য বিধান অনুসারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রাপ্যতা নির্ধারণ করতে হবে।

অর্থ বিভাগের জারি করা দুই পৃষ্ঠার প্রজ্ঞাপনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন নির্ধারণ, পেনশন-সংশ্লিষ্ট সুবিধা, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধার বিষয়ে পৃথক বিধান তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

১ জুলাই থেকে নতুন বেতন স্কেল কার্যকরের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে

প্রজ্ঞাপনে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ কার্যকর হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। তবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে তাঁদের নিয়োগের প্রকৃতি ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রযোজ্য বিধান অনুসরণ করতে হবে।

এ ক্ষেত্রে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর আওতায় বিভিন্ন গ্রেডে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বেতন সংশোধনের বিষয়টিও প্রজ্ঞাপনে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার পর তাঁদের বেতন নির্ধারণে কোন নিয়ম প্রযোজ্য হবে, তা সংশ্লিষ্ট নিয়োগের শর্ত ও প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনার আলোকে বিবেচনা করতে হবে।

অর্থাৎ, শুধু পূর্ববর্তী গ্রেড বা পদবি দেখে নতুন বেতন নির্ধারণ করা যথেষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিয়োগপত্র, চুক্তির শর্ত এবং প্রযোজ্য সরকারি আদেশ যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন কীভাবে নির্ধারিত হবে?

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বেতন নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে অনেকের আগ্রহ রয়েছে। বিশেষ করে নতুন বেতন স্কেল কার্যকর হওয়ার পর তাঁদের বেতন কতটা পরিবর্তিত হবে এবং নিয়মিত কর্মচারীদের মতো একই সুবিধা পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনের মূল বক্তব্য হলো, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিয়োগের ধরন ও প্রযোজ্য শর্ত অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করতে হবে। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এবং নিয়মিত পদে নিয়োগের মধ্যে পার্থক্য থাকায় সবার জন্য একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা যাবে না।

কোনো ব্যক্তি আগে একটি নির্দিষ্ট গ্রেডের বেতন কাঠামো অনুসারে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়ে থাকলে তাঁর ক্ষেত্রে নতুন বেতন স্কেল প্রয়োগের নিয়ম সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন ও নিয়োগের শর্তের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে।

তাই নতুন বেতন স্কেল কার্যকর হওয়ার পর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত প্রত্যেক ব্যক্তির বেতন স্বয়ংক্রিয়ভাবে একই হারে বৃদ্ধি পাবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। ব্যক্তিভেদে প্রযোজ্য বিধান যাচাই করেই বেতন নির্ধারণ করতে হবে।

চুক্তিভিত্তিক বেতনের সঙ্গে পেনশন সুবিধার সম্পর্ক

প্রজ্ঞাপনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে চুক্তিভিত্তিক নির্ধারিত বেতনের ভিত্তিতে পেনশন-সংশ্লিষ্ট সুবিধা নির্ধারণের বিষয়টি। এতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে পেনশন বা পেনশন-সংশ্লিষ্ট সুবিধা প্রযোজ্য কি না, তা সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী বিবেচনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

এখানে একটি বিষয় স্পষ্টভাবে বোঝা জরুরি—চুক্তিভিত্তিক বেতন এবং নিয়মিত চাকরির ভিত্তিতে পেনশনযোগ্য বেতন এক বিষয় নয়। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে বেতন নির্ধারিত থাকলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেনশন পাওয়ার যোগ্য হবেন, এমনটি ধরে নেওয়া যাবে না।

পেনশন পাওয়ার যোগ্যতা, পেনশনযোগ্য চাকরিকাল এবং অবসর-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির চাকরির ধরন, নিয়োগের শর্ত এবং প্রযোজ্য বিধান যাচাই করতে হবে।

বিশেষ করে যাঁরা অবসরের কাছাকাছি রয়েছেন অথবা ইতোমধ্যে অবসর-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে চাকরির নথি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশ পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি ও উৎসব ভাতা কি পাওয়া যাবে?

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, উৎসব ভাতা এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধার বিষয়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে।

প্রজ্ঞাপনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধার বিষয়গুলো প্রযোজ্য বিধান অনুসারে বিবেচনার বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে সব চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী একই নিয়মে এসব সুবিধা পাবেন—এমন সাধারণ সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিয়োগপত্রে কী শর্ত রয়েছে, চুক্তির মেয়াদ কত দিন এবং প্রযোজ্য সরকারি আদেশে কী বলা হয়েছে, তা যাচাই করে সুবিধার প্রাপ্যতা নির্ধারণ করতে হবে।

ফলে কোনো কর্মচারী নতুন বেতন স্কেল কার্যকর হওয়ার কারণে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি বা উৎসব ভাতা পাবেন কি না, তা নিশ্চিত করতে তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধান পরীক্ষা করা জরুরি।

নিয়মিত ও চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে পার্থক্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

সরকারি চাকরিতে নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত এবং চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের চাকরির শর্ত সব ক্ষেত্রে এক নয়। নিয়মিত কর্মচারীদের বেতন, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, পেনশন ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারিত হয় তাঁদের প্রযোজ্য চাকরিবিধি ও বেতন কাঠামো অনুসারে।

অন্যদিকে, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগপত্র ও চুক্তিতে উল্লেখ করা শর্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে একই পদ বা গ্রেডের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও দুই ধরনের নিয়োগের ক্ষেত্রে আর্থিক সুবিধার প্রাপ্যতা ভিন্ন হতে পারে।

এ কারণে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর কোনো বিধান চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্য প্রযোজ্য হলে সেটি সব নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীর ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য হবে—এমনটি ধরে নেওয়া উচিত নয়। একইভাবে নিয়মিত কর্মচারীদের কোনো সুবিধা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রযোজ্য হবে, এমন সিদ্ধান্তও বিধান যাচাই ছাড়া দেওয়া যাবে না।

সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের করণীয়

অর্থ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের কাছে অনুলিপি পাঠানোর তালিকা রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও হিসাবরক্ষণ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বেতন নির্ধারণ ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

প্রথমত, নিয়োগের ধরন যাচাই: সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত নাকি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত, তা নিশ্চিত করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, নিয়োগের শর্ত পর্যালোচনা: নিয়োগপত্র, চুক্তির মেয়াদ এবং বেতন নির্ধারণের শর্ত পরীক্ষা করতে হবে।

তৃতীয়ত, প্রযোজ্য বিধান অনুসরণ: জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশের আলোকে বেতন নির্ধারণ করতে হবে।

চতুর্থত, পেনশন-সংশ্লিষ্ট যোগ্যতা যাচাই: পেনশন বা অবসর-সংশ্লিষ্ট সুবিধার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যোগ্যতা ও প্রযোজ্য বিধান নিশ্চিত করতে হবে।

পঞ্চমত, প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন: প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় ও প্রশাসন শাখার মাধ্যমে বেতন নির্ধারণের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

এসব বিষয় যথাযথভাবে যাচাই করা হলে বেতন নির্ধারণে ভুল এবং পরবর্তী সময়ে আর্থিক জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

কর্মচারীদের এখন কী করা উচিত?

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর যেসব চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজেদের বেতন বা অন্যান্য আর্থিক সুবিধা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন, তাঁদের প্রথমে নিজ নিজ নিয়োগের শর্ত যাচাই করা উচিত।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন শাখা বা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে হবে, তাঁদের ক্ষেত্রে প্রজ্ঞাপনের কোন বিধান প্রযোজ্য। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী বেতন নির্ধারণী বিবরণী, নিয়োগপত্র এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

কোনো সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকলে অনুমাননির্ভর সিদ্ধান্ত না নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ব্যাখ্যা নেওয়াই যুক্তিযুক্ত।

প্রজ্ঞাপনের তাৎপর্য কী?

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা নির্ধারণে প্রযোজ্য বিধান অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরেছে অর্থ বিভাগের এই প্রজ্ঞাপন।

এর মূল তাৎপর্য হলো, বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধু নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করলেই চলবে না; সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিয়োগের ধরন, চুক্তির শর্ত এবং প্রযোজ্য সরকারি আদেশও যাচাই করতে হবে।

তবে প্রজ্ঞাপনের দৃশ্যমান অনুলিপিতে সব শ্রেণির কর্মচারীর জন্য আলাদা বেতন বৃদ্ধির অঙ্ক বা নির্দিষ্ট আর্থিক সুবিধার সর্বজনীন হিসাব উল্লেখ নেই। তাই কোনো নির্দিষ্ট কর্মচারী কত টাকা বেতন, পেনশন বা ভাতা পাবেন, তা জানতে তাঁর চাকরির ধরন ও প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী পৃথকভাবে হিসাব করতে হবে।

শেষ কথা

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন, পেনশন-সংশ্লিষ্ট সুবিধা, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য আর্থিক প্রাপ্যতা নিয়ে অর্থ বিভাগের ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের প্রজ্ঞাপনটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা বহন করছে।

তবে সবার ক্ষেত্রে একই নিয়মে বেতন ও সুবিধা নির্ধারণ করা যাবে না। নিয়োগের ধরন, চুক্তির শর্ত এবং প্রযোজ্য বিধান যাচাই করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নিজেদের নিয়োগের শর্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসনিক ও হিসাবরক্ষণ কর্তৃপক্ষের সহায়তা নিয়ে সঠিকভাবে বেতন নির্ধারণ সম্পন্ন করা।

সূত্র: অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার; ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের প্রজ্ঞাপন।

আপনার মতামত লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।