মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশিত পোস্ট ১৬১টি ক্যাটাগরি ২০টি
সর্বশেষ আপডেট ১১:২৩ অপরাহ্ণ লাইভ

পে স্কেল • পেনশন • ছুটি • সরকারি প্রজ্ঞাপন ও গেজেটের সর্বশেষ আপডেট

সরকারি আপডেট
সরকারি ওয়েবসাইটের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন, গেজেট ও পরিপত্র এখানে দেখা যাবে
আইবাস++ সম্পর্কিত

পে-ফিকেশনে বড় নির্দেশনা: তিন মাসের বকেয়া ম্যানুয়ালি, পেনশনভোগীদের প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়

পে-ফিকেশনে বড় নির্দেশনা: তিন মাসের বকেয়া ম্যানুয়ালি, পেনশনভোগীদের প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে-ফিকেশন এবং বকেয়া বেতন-ভাতা নির্ধারণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা সামনে এসেছে। বিশেষ করে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত তিন মাসের বকেয়া বিল ম্যানুয়ালি প্রস্তুত করে হিসাবরক্ষণ অফিসে জমা দেওয়া, পেনশনভোগীদের ফিক্সেশন প্রক্রিয়া, পূর্ববর্তী পদোন্নতির বেতন নির্ধারণ এবং আইবাস++-এ ব্যক্তিগত তথ্য হালনাগাদ রাখার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক সার্কুলারে বলা হয়েছে, পেনশনভোগীদের ফিক্সেশন ও এরিয়ার বিল আইবাস++ ব্যবস্থায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও বকেয়া বিলের ক্ষেত্রে আলাদা হিসাব প্রস্তুত করতে হবে। পাশাপাশি যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীর আগের বেতন নির্ধারণ অসম্পূর্ণ রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে প্রথমে পূর্ববর্তী স্কেলের ফিক্সেশন সম্পন্ন করে পরে নতুন স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করতে হবে।

তবে এসব নির্দেশনার জাতীয় পর্যায়ে প্রযোজ্যতা নিশ্চিত করতে মূল সার্কুলারের স্মারক নম্বর, তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন যাচাই করা জরুরি।

তিন মাসের বকেয়া বিল তৈরি করতে হবে আলাদাভাবে

নির্দেশনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর বকেয়া বিল আইবাস++ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হবে না। সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে ম্যানুয়ালি বকেয়া বিল প্রস্তুত করে হিসাবরক্ষণ অফিসে জমা দিতে হবে।

এ ক্ষেত্রে শুধু নতুন বেতন ও পুরোনো বেতনের পার্থক্য হিসাব করলেই চলবে না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী আগে কী পরিমাণ বেতন-ভাতা পেয়েছেন, নতুন স্কেল অনুযায়ী তাঁর প্রাপ্য কত এবং কোন কোন অর্থ সমন্বয় করতে হবে—এসব বিষয় হিসাবের মধ্যে আনতে হবে।

সার্কুলারে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গৃহীত বিশেষ সুবিধা এবং জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর অধীনে ১ জুলাই ২০২৬ তারিখের মূল বেতনের ভিত্তিতে পরিশোধিত বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, যাতায়াত ভাতা ও উৎসব ভাতা সমন্বয় করতে হবে।

ফলে বকেয়া বিল তৈরির সময় সংশ্লিষ্ট সময়ের বেতনশিট, ভাতার হিসাব, পূর্ববর্তী পে-ফিকেশন বিবরণী এবং প্রযোজ্য সরকারি আদেশ মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

পে-ফিকেশনের আগে পুরোনো বেতন নির্ধারণ সম্পন্ন করার নির্দেশনা

অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী আগে পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেড পেলেও আইবাস++-এ সেই অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ সম্পন্ন হয়নি। এ ধরনের ক্ষেত্রে সরাসরি নতুন বেতন স্কেলে ফিক্সেশন করলে হিসাবের অসংগতি দেখা দিতে পারে।

সার্কুলারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ জুলাই ২০২৬-এর আগে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর অধীনে পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়া সত্ত্বেও যাঁদের ফিক্সেশন অসম্পূর্ণ রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে প্রথমে পুরোনো স্কেল অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেডের ফিক্সেশন করতে হবে। এরপর জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী নতুন ফিক্সেশন সম্পন্ন করতে হবে।

এ কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজেদের পদোন্নতির আদেশ, উচ্চতর গ্রেডের অনুমোদন এবং পূর্ববর্তী বেতন নির্ধারণী বিবরণী যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

যাঁদের ফিক্সেশন আপাতত করা হবে না

সার্কুলারে কয়েকটি শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর ক্ষেত্রে ফিক্সেশন না করার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন সাময়িক বরখাস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে বা তার আগে যাঁদের পিআরএল শেষ হয়েছে।

এ ছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা আইবাস++ ব্যবস্থায় প্রক্রিয়াকরণ করা হয় না, তাঁদের ক্ষেত্রেও এ নির্দেশনায় ফিক্সেশন না হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সড়ক, গণপূর্ত ও LGED-এর মাস্টাররোল ও কার্যভিত্তিক কর্মচারীদের কথা বলা হয়েছে।

তবে কোনো কর্মচারীর ক্ষেত্রে ফিক্সেশন প্রযোজ্য কি না, তা নির্ধারণের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বেতন ব্যবস্থাপনা, চাকরির ধরন এবং প্রযোজ্য বিধি যাচাই করতে হবে।

পিআরএলে থাকা কর্মচারীদের ফিক্সেশন হবে পরবর্তী সময়ে

যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে বা তার পরে পিআরএলে গেছেন, তাঁদের ফিক্সেশন বর্তমানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কার্যক্রমের পরে সম্পন্ন করার কথা সার্কুলারে উল্লেখ রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে ফিক্সেশন শেষ হওয়ার পর সংশোধিত ইএলপিসি ইস্যু করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। অবসর-সংক্রান্ত হিসাব নির্ধারণে বেতন ও চাকরির তথ্যের যথার্থতা প্রয়োজন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট নথি সঠিকভাবে প্রস্তুত রাখা জরুরি।

এ ছাড়া যাঁদের ইনক্রিমেন্ট স্থগিত রয়েছে এবং যাঁরা প্রেষণে কর্মরত, তাঁদের ফিক্সেশনও পরবর্তী সময়ে করার কথা নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পেনশনভোগীদের জন্য স্বয়ংক্রিয় ফিক্সেশনের কথা

সার্কুলারে পেনশনভোগীদের ফিক্সেশন ও এরিয়ার বিল আইবাস++-এ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টস অফিসকে আলাদাভাবে ফিক্সেশন করার প্রয়োজন হবে না বলে উল্লেখ রয়েছে।

তবে পেনশনভোগীদের লাইফ ভেরিফিকেশন বা জীবন যাচাইয়ের তথ্য হালনাগাদ রাখতে হবে। এ কারণে যাঁরা পেনশন গ্রহণ করছেন, তাঁদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন যাচাইয়ের অবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।

এখানে উল্লেখ্য, স্বয়ংক্রিয় ফিক্সেশনের বিষয়টি সার্কুলারের বক্তব্য অনুযায়ী তুলে ধরা হয়েছে। বাস্তবে কোনো পেনশনভোগীর ক্ষেত্রে কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট পেনশন রেকর্ড বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করতে হবে।

আইবাস++-এ মোবাইল নম্বর ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য মিলতে হবে

পে-ফিকেশন প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগত তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী ফিক্সেশনে ব্যবহৃত জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করার নির্দেশনা রয়েছে।

আগে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর হারিয়ে গেলে বা সিম নষ্ট হয়ে গেলে এবং সেটি পুনরায় সংগ্রহ করা সম্ভব না হলে নতুন সিমের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধনের ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ডিডিও ও হিসাবরক্ষণ অফিসের সহায়তা নিতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে বা তার পরে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অফিসের এন্ট্রি ইউজার ও ডিডিওর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

অর্থাৎ, পে-ফিকেশন শুরুর আগেই জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর এবং চাকরিসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুরোনো স্কেলে বেতন পরিশোধের বিষয়টি

সার্কুলারে সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বেতন-ভাতা জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী পরিশোধিত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের বকেয়া বিল আলাদাভাবে প্রস্তুত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে বোঝা যায়, নির্দেশনায় নিয়মিত বেতন পরিশোধের হিসাব এবং নতুন স্কেল অনুযায়ী বকেয়া নির্ধারণের হিসাবকে পৃথকভাবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে।

তবে এ বক্তব্য থেকে সব সরকারি কর্মচারীর নতুন বেতন পাওয়ার নির্দিষ্ট তারিখ বা বকেয়া অর্থ ছাড়ের সময় নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করা যায় না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশ ও অর্থ বিভাগের নির্দেশনাই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

GoB Staff ও GoB Officer-এর জন্য কাগজপত্র প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা

পে-ফিকেশন কার্যক্রম দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করতে সার্কুলারে GoB Staff ও GoB Officer-এর জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্রের কথা বলা হয়েছে।

GoB Staff-এর ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর ও জন্মতারিখের পাশাপাশি সার্ভিস বুক এবং সংশ্লিষ্ট বেতন নির্ধারণী নথি প্রস্তুত রাখতে হবে। প্রয়োজনীয় ফরওয়ার্ডিং ও স্বাক্ষরসহ কাগজপত্র নিরীক্ষাকারী অফিসে জমা দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।

GoB Officer-এর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অফিসের আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আইবাস++-এ লগইন করার কথা বলা হয়েছে। কর্মকর্তার নাম, পদবি, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, মোবাইল নম্বর এবং অডিট রেজিস্টার-সংক্রান্ত তথ্যসহ প্রয়োজনীয় নথি সংশ্লিষ্ট অফিসপ্রধানের ফরওয়ার্ডিং দিয়ে জমা দিতে হবে।

এসব কাগজপত্র সঠিকভাবে প্রস্তুত থাকলে তথ্য যাচাই ও নিরীক্ষার কাজে সুবিধা হতে পারে এবং ভুল সংশোধনে সময় কম লাগতে পারে।

ফিক্সেশন শেষে প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করতে হবে

সার্কুলারে ফিক্সেশন দাবিল জমা দেওয়ার পর ফিক্সেশন কপি প্রিন্ট করার নির্দেশনা রয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কপি প্রিন্ট না করলে তথ্য অসম্পূর্ণ থাকতে পারে।

এ কারণে ফিক্সেশন সম্পন্ন হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দপ্তরের উচিত প্রয়োজনীয় কপি সংগ্রহ এবং নথি সংরক্ষণ করা। কোনো তথ্য ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট ডিডিও বা হিসাবরক্ষণ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে সংশোধনের ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ ছাড়া ফিক্সেশন কার্যক্রমে সহায়তার জন্য ডিডিও কর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধি নিরীক্ষাকারী অফিসে উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছে। ছোট অফিসের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুইজন এবং বড় অফিসের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চারজন প্রতিনিধির সীমা উল্লেখ রয়েছে।

বকেয়া বিলের হিসাব করতে কর্মচারীদের যা জানা প্রয়োজন

বকেয়া বিলের পরিমাণ সবার ক্ষেত্রে এক হবে না। এটি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর মূল বেতন, গ্রেড, ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি, প্রযোজ্য ভাতা এবং আগে পরিশোধিত অর্থের ওপর।

তাই বকেয়া হিসাব প্রস্তুতের সময়—

  • জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের হিসাব আলাদাভাবে যাচাই করতে হবে।
  • নতুন স্কেল অনুযায়ী প্রাপ্য অর্থ নির্ধারণ করতে হবে।
  • আগে পরিশোধিত বেতন-ভাতা ও বিশেষ সুবিধা সমন্বয় করতে হবে।
  • বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত ও উৎসব ভাতার প্রযোজ্য নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
  • প্রয়োজনীয় অনুমোদন, হিসাব বিবরণী ও নথি সংযুক্ত করতে হবে।

এভাবে হিসাব প্রস্তুত করলে একই অর্থ দুইবার গণনা হওয়া বা প্রাপ্য অর্থ বাদ পড়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

শেষ কথা

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর পে-ফিকেশন কার্যক্রমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আগের বেতন নির্ধারণের অসম্পূর্ণ ধাপগুলো আগে সম্পন্ন করা, ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই করা এবং বকেয়া বিলের হিসাব নির্ভুলভাবে প্রস্তুত করা। সার্কুলারে পেনশনভোগীদের স্বয়ংক্রিয় ফিক্সেশন, বিশেষ কিছু শ্রেণির ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে ফিক্সেশন এবং জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বকেয়া বিল ম্যানুয়ালি প্রস্তুতের কথা বলা হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট সার্কুলারের সত্যতা, প্রযোজ্যতা ও চূড়ান্ত নির্দেশনা নিশ্চিত করতে মূল দাপ্তরিক নথি যাচাই করা প্রয়োজন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজ নিজ ডিডিও, হিসাবরক্ষণ অফিস এবং প্রযোজ্য সরকারি আদেশ অনুসরণ করা উচিত।

সোর্স ফাইল

আপনার মতামত লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।