মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশিত পোস্ট ১৬১টি ক্যাটাগরি ২০টি
সর্বশেষ আপডেট ১১:২৩ অপরাহ্ণ লাইভ

পে স্কেল • পেনশন • ছুটি • সরকারি প্রজ্ঞাপন ও গেজেটের সর্বশেষ আপডেট

সরকারি আপডেট
সরকারি ওয়েবসাইটের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন, গেজেট ও পরিপত্র এখানে দেখা যাবে
পে-ফিক্সেশন

৫ অক্টোবর থেকে পে ফিক্সেশন: ধাপে ধাপে চালু হচ্ছে iBAS++, কোন বিভাগে কখন—জেনে নিন

৫ অক্টোবর থেকে পে ফিক্সেশন: ধাপে ধাপে চালু হচ্ছে iBAS++, কোন বিভাগে কখন—জেনে নিন

নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো–২০২৬ বাস্তবায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ পে ফিক্সেশন বা নতুন বেতন নির্ধারণ আজ ৫ অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন মূল বেতন নির্ধারণ করা হবে সরকারের সমন্বিত বাজেট ও হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা iBAS++-এর Pay Fixation Module-এর মাধ্যমে। অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ২০ অক্টোবরের মধ্যে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

এর ফলে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়া নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবে কর্মচারীদের বেতন হিসাবে প্রতিফলিত করার প্রক্রিয়া শুরু হলো। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে—দেশের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর পে ফিক্সেশন একই দিনে শুরু হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় ও অঞ্চলভেদে পর্যায়ক্রমে iBAS++-এ পে ফিক্সেশনের সুযোগ চালু করা হচ্ছে।

৫ অক্টোবর কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এর আগে বিভিন্ন হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু হলেও ৫ অক্টোবর থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণের মূল কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ২০ অক্টোবরের মধ্যে পে ফিক্সেশন শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে।

অর্থাৎ একজন কর্মচারীর জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—তার অফিস কোন হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের আওতাভুক্ত এবং সেই কার্যালয়ের জন্য নির্ধারিত তারিখ কোনটি।


বিভাগভিত্তিক পে ফিক্সেশন কবে থেকে?

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী iBAS++-এ পে ফিক্সেশন পর্যায়ক্রমে চালু করা হচ্ছে। পাওয়া সর্বশেষ বিস্তারিত সূচিতে তারিখগুলো এভাবে দেওয়া হয়েছে:

তারিখ বিভাগ/এলাকা ও সংশ্লিষ্ট হিসাব কার্যালয়
১ অক্টোবর ২০২৬ ঢাকার নির্ধারিত সিএএফও, অর্থ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও নির্ধারিত হিসাব কার্যালয়
৫ অক্টোবর ২০২৬ ঢাকার সংশ্লিষ্ট সিএএফও/হিসাবরক্ষণ কার্যালয়
৮ অক্টোবর ২০২৬ ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের সংশ্লিষ্ট ডিএও/ইউএও
১২ অক্টোবর ২০২৬ চট্টগ্রাম ও সূচিতে নির্ধারিত সিলেট বিভাগের হিসাবরক্ষণ কার্যালয়
১৫ অক্টোবর ২০২৬ ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়
১৮ অক্টোবর ২০২৬ খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা রয়েছে। বিভিন্ন অনলাইন প্রতিবেদনে কয়েকটি বিভাগের তারিখ উপস্থাপনায় পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। তাই কোনো কর্মচারীর ক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যমের তালিকার চেয়ে তার সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের সর্বশেষ নির্দেশনা চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। Reportbd


কারা কীভাবে iBAS++-এ প্রবেশ করবেন?

পে ফিক্সেশন সম্পন্ন করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত iBAS++ পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে।

গেজেটেড কর্মকর্তাদের জন্য User ID ও Password ব্যবহার করে প্রবেশের ব্যবস্থা রয়েছে।

অন্যদিকে নন-গেজেটেড কর্মচারীদের ক্ষেত্রে NID নম্বর, জন্মতারিখ এবং OTP যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রবেশের ব্যবস্থা রয়েছে। নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে OTP পাঠানো হবে।

iBAS++-এর সরকারি পোর্টালেও “Pay Fixation-2026 GoB Staff” এবং নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্য আলাদা Pay Fixation অপশন দেখা যাচ্ছে। IBAS


পে ফিক্সেশনে কী কী তথ্য লাগবে?

পে ফিক্সেশনের সময় কর্মচারীর ব্যক্তিগত তথ্যের পাশাপাশি চাকরির বেতন-সংক্রান্ত পুরোনো তথ্যও গুরুত্বপূর্ণ। প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজন হতে পারে—

  • জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য
  • জন্মতারিখ
  • বর্তমান পদবি
  • বর্তমান গ্রেড
  • চাকরিতে যোগদানের তারিখ
  • বর্তমান মূল বেতন
  • ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন
  • পূর্ববর্তী পে ফিক্সেশনের তথ্য
  • পদোন্নতির তথ্য
  • বদলির তথ্য
  • টাইম স্কেল
  • সিলেকশন গ্রেড
  • উচ্চতর গ্রেড
  • সংশ্লিষ্ট অফিস আদেশ ও প্রাসঙ্গিক নথি।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে কর্মচারীর মূল বেতন কত ছিল। নতুন কাঠামোতে বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী বেতন-ইতিহাস সঠিকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।


পে ফিক্সেশন কীভাবে সম্পন্ন হবে?

সাধারণভাবে প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হবে।

প্রথম ধাপ—লগইন:
নিজ নিজ পদ্ধতিতে iBAS++-এ প্রবেশ করতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপ—তথ্য যাচাই:
নাম, NID, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বর্তমান/পূর্ববর্তী মূল বেতনের তথ্য যাচাই করতে হবে।

তৃতীয় ধাপ—বেতন নির্ধারণ:
প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পর নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সিস্টেমে নির্ধারিত বেতন প্রদর্শিত হবে।

চতুর্থ ধাপ—আবেদন/সাবমিশন:
তথ্য সঠিক থাকলে পে ফিক্সেশন সম্পন্ন করে সাবমিট করতে হবে।

পঞ্চম ধাপ—কর্তৃপক্ষের যাচাই:
নন-গেজেটেড কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সার্ভিস বুক ও চাকরির রেকর্ডের সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে দেখতে পারে। অনুমোদনের পর ডিজিটাল যাচাই নম্বর তৈরি হওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।


ভুল তথ্য দিলে বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে

পে ফিক্সেশনের সময় শুধু নতুন বেতন কত হচ্ছে সেটি দেখলেই হবে না। নতুন বেতন কীভাবে নির্ধারিত হয়েছে—সেটিও যাচাই করতে হবে।

বিশেষ করে কারও যদি চাকরিজীবনে—

  • পদোন্নতি হয়ে থাকে,
  • উচ্চতর গ্রেড পেয়ে থাকেন,
  • টাইম স্কেল পেয়ে থাকেন,
  • সিলেকশন গ্রেড পেয়ে থাকেন,
  • একাধিকবার পে ফিক্সেশন হয়ে থাকে,

তাহলে এসব তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ পুরোনো বেতন-ইতিহাসে ভুল থাকলে নতুন পে ফিক্সেশনের ফলও ভুল হতে পারে। অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারাও পূর্ববর্তী পে ফিক্সেশন রেকর্ড যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।


অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে বকেয়া পাওয়ার সম্ভাবনা

নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়ায় জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসের বেতন পার্থক্য নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (BSS) জানিয়েছে, নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় সরকারি চাকরিজীবীরা অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে প্রায় তিন মাসের বকেয়া পেতে পারেন। তবে সবার বকেয়া একই হবে না। গ্রেড, পুরোনো মূল বেতন, নতুন নির্ধারিত মূল বেতন এবং কার্যকর তারিখের ওপর বকেয়ার পরিমাণ নির্ভর করবে।

এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার—পে ফিক্সেশন সম্পন্ন না হলে সঠিক বকেয়া হিসাব তৈরি করা সম্ভব নয়। তাই অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে বকেয়া পাওয়ার বিষয়টি মূলত পে ফিক্সেশন ও পরবর্তী বেতন বিল প্রস্তুতির ওপর নির্ভরশীল।


সবার বকেয়া কি সমান হবে?

না। একজন ১০ম গ্রেডের কর্মচারী এবং একজন ১৬তম গ্রেডের কর্মচারীর বকেয়া একই হবে না। এমনকি একই গ্রেডের দুজন কর্মচারীরও বকেয়া ভিন্ন হতে পারে।

কারণ বকেয়া নির্ভর করবে—

পুরোনো মূল বেতন → নতুন নির্ধারিত মূল বেতন → কার্যকর তারিখ → সংশ্লিষ্ট মাসের বেতন পার্থক্য

এই হিসাবের ওপর।

তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট অঙ্কের ‘এরিয়া’ বা বকেয়ার হিসাব দেখলেই সেটি সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।


উচ্চতর গ্রেডের ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়বে

নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার নিয়মও আলোচনায় এসেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, একই পদে পদোন্নতি ছাড়া ৮ বছর সন্তোষজনক চাকরি পূর্ণ হলে প্রথম উচ্চতর গ্রেড এবং পরবর্তী ৬ বছর পূর্ণ হলে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিধান রয়েছে। তবে পূর্বে একই পদে একাধিক সিলেকশন গ্রেড, টাইম স্কেল বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়া থাকলে নতুন করে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

ফলে পে ফিক্সেশনের সময় শুধু বর্তমান মূল বেতন নয়, চাকরিজীবনের আগের উচ্চতর গ্রেড ও বেতন নির্ধারণের ইতিহাসও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।


এখন কর্মচারীদের করণীয় কী?

পে ফিক্সেশন শুরুর পর সবচেয়ে বড় ভুল হবে তথ্য না দেখে তাড়াহুড়া করে সাবমিট করা।

কর্মচারীদের উচিত—

১. ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন যাচাই করা।

২. সর্বশেষ ইনক্রিমেন্ট সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে কি না দেখা।

৩. পদোন্নতি থাকলে সংশ্লিষ্ট অফিস আদেশ প্রস্তুত রাখা।

৪. উচ্চতর গ্রেড, টাইম স্কেল বা সিলেকশন গ্রেডের তথ্য যাচাই করা।

৫. NID ও জন্মতারিখের তথ্য মিলিয়ে দেখা।

৬. iBAS++-এ নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর সচল রাখা।

৭. নতুন নির্ধারিত মূল বেতন পুরোনো বেতন-ইতিহাসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা।

৮. কোনো অসঙ্গতি থাকলে সংশ্লিষ্ট অফিস বা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের সহায়তা নেওয়া।


২০ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য

অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া পে ফিক্সেশন কার্যক্রম ২০ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থাৎ ৫ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর—এই সময়টি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের মধ্যে নতুন বেতন নির্ধারণ, যাচাই এবং পরবর্তী বেতন বিল প্রস্তুতির ভিত্তি তৈরি হবে।

একই সঙ্গে ৪ অক্টোবর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত নোটিশেও iBAS++ Pay Fixation Sub-System-এ জাতীয় বেতন স্কেল–২০২৬ অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য জনবলের পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাঠানোর বিষয়টি উঠে এসেছে। অর্থাৎ শুধু কর্মচারীর ব্যক্তিগত তথ্য নয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জনবল ও সাংগঠনিক তথ্যও সিস্টেমে সঠিক থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

আজ ৫ অক্টোবর ২০২৬ থেকে জাতীয় বেতন স্কেল–২০২৬ বাস্তবায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবধাপ—পে ফিক্সেশন—শুরু হয়েছে। তবে এটি একদিনে সারা দেশে চালু হচ্ছে না; হিসাবরক্ষণ কার্যালয় ও বিভাগভেদে পর্যায়ক্রমে কার্যক্রম সম্প্রসারিত হচ্ছে।

প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী ৮ অক্টোবর ঢাকা ও রাজশিয়ার সংশ্লিষ্ট হিসাব কার্যালয়, এরপর ১২, ১৫ ও ১৮ অক্টোবর অন্যান্য বিভাগ পর্যায়ক্রমে কার্যক্রমের আওতায় আসবে।

এরপর নতুন মূল বেতন নির্ধারণের ভিত্তিতে অক্টোবরের বেতন এবং জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বকেয়া/এরিয়ার হিসাব এগিয়ে যাবে। BSS-এর তথ্য অনুযায়ী, নতুন কাঠামোর অধীনে প্রায় তিন মাসের বকেয়া অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে কর্মচারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা হলো—নিজের হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের নির্ধারিত সময় এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা। একই সঙ্গে পে ফিক্সেশন সাবমিট করার আগে নিজের বেতন, ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড ও পূর্ববর্তী ফিক্সেশনের তথ্য ভালোভাবে যাচাই করা। কারণ একবার ভুল তথ্যের ভিত্তিতে বেতন নির্ধারণ হলে পরবর্তী সময়ে তা সংশোধনে অতিরিক্ত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।