মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশিত পোস্ট ১৬১টি ক্যাটাগরি ২০টি
সর্বশেষ আপডেট ১১:২৩ অপরাহ্ণ লাইভ

পে স্কেল • পেনশন • ছুটি • সরকারি প্রজ্ঞাপন ও গেজেটের সর্বশেষ আপডেট

সরকারি আপডেট
সরকারি ওয়েবসাইটের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন, গেজেট ও পরিপত্র এখানে দেখা যাবে
অন্যান্য

আয়কর রিটার্ন ২০২৬-২৭: করমুক্ত আয়ের সীমা, ই-রিটার্ন ও কর রেয়াতের নিয়ম জানুন

আয়কর রিটার্ন ২০২৬-২৭: করমুক্ত আয়ের সীমা, ই-রিটার্ন ও কর রেয়াতের নিয়ম জানুন

২০২৬–২০২৭ করবর্ষে আয়কর রিটার্ন দাখিলের নিয়ম, করমুক্ত আয়ের সীমা, করের হার এবং অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে করদাতাদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রকাশিত আয়কর নির্দেশিকা অনুযায়ী, ব্যক্তি করদাতাদের জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের ব্যবস্থা চালু রয়েছে। অধিকাংশ স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে ই-রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ে রিটার্ন জমা দিলে কর রেয়াত পাওয়ার সুযোগও রয়েছে।

এনবিআরের ওয়েবসাইটে ২০২৬–২০২৭ সালের আয়কর নির্দেশিকা ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে। নির্দেশিকায় করদাতাদের আয়কর নিরূপণ, কর পরিশোধ এবং রিটার্ন দাখিলসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। ফলে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট নিয়মগুলো জেনে নেওয়া জরুরি।

সাধারণ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা কত?

আয়কর হিসাব করার ক্ষেত্রে প্রথমেই জানতে হবে সংশ্লিষ্ট করবর্ষে একজন করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা কত। এই সীমার মধ্যে থাকা আয় সাধারণত আয়করমুক্ত থাকে। তবে আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা এবং করমুক্ত আয়ের সীমা এক বিষয় নয়। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে করযোগ্য আয় না থাকলেও রিটার্ন দাখিল করতে হতে পারে।

২০২৬–২০২৭ করবর্ষের জন্য জাতীয় বাজেটের নথিতে উল্লেখিত করমুক্ত আয়ের সীমা অনুযায়ী শ্রেণিভিত্তিক হিসাব হলো—

  • সাধারণ ব্যক্তি করদাতা: ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
  • নারী করদাতা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী করদাতা: ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
  • প্রতিবন্ধী করদাতা ও তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা: ৫ লাখ টাকা।
  • গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
  • জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা: ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

এ ছাড়া প্রতিবন্ধী নির্ভরশীল সন্তান বা পোষ্য থাকলে প্রযোজ্য শর্তে বাবা-মা বা আইনগত অভিভাবকের করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

এখানে উল্লেখ্য, এসব সীমা ২০২৬–২০২৭ ও ২০২৭–২০২৮ করবর্ষের জন্য জাতীয় বাজেটের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। করদাতাদের চূড়ান্ত হিসাব করার আগে এনবিআরের প্রকাশিত নির্দেশিকা ও প্রযোজ্য আইন মিলিয়ে নেওয়া উচিত।

আয়কর কীভাবে হিসাব করা হবে?

বাংলাদেশে ব্যক্তি করদাতাদের আয়করের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে করহার প্রয়োগ করা হয়। অর্থাৎ করমুক্ত সীমা অতিক্রম করলেই সম্পূর্ণ আয়ের ওপর একই হারে কর বসে না। বরং করযোগ্য আয়ের বিভিন্ন অংশের ওপর নির্ধারিত হারে কর হিসাব করা হয়।

উদাহরণ হিসেবে, একজন সাধারণ করদাতার বার্ষিক আয় ৬ লাখ টাকা হলে এবং তাঁর ক্ষেত্রে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার করমুক্ত সীমা প্রযোজ্য হলে, প্রাথমিকভাবে অবশিষ্ট ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা করমুক্ত সীমার অতিরিক্ত আয় হিসেবে বিবেচিত হবে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে অবশিষ্ট পুরো টাকার ওপর সরাসরি সর্বোচ্চ করহার প্রয়োগ হবে। সংশ্লিষ্ট করবর্ষের করস্ল্যাব, প্রযোজ্য কর রেয়াত, বিনিয়োগজনিত সুবিধা এবং অন্যান্য বিধান অনুসারে চূড়ান্ত কর নির্ধারণ করতে হবে।

করদাতার আয়ের উৎস, বিনিয়োগ, করযোগ্য সুবিধা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রকৃত করের পরিমাণ কমবেশি হতে পারে।

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক

২০২৬–২০২৭ করবর্ষে অধিকাংশ স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার জন্য ই-রিটার্ন বা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২২ জুলাই ব্যক্তি করদাতাদের জন্য ই-রিটার্ন সেবা চালু করা হয়।

অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে করদাতাকে নিজের পরিচয়, আয়, বিনিয়োগ, সম্পদ ও দায়সংক্রান্ত প্রযোজ্য তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। এরপর সিস্টেমের নির্দেশনা অনুসরণ করে রিটার্ন জমা দিতে হবে।

সাধারণভাবে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের প্রক্রিয়াটি হলো—

১. এনবিআরের ই-রিটার্ন পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে।

২. প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে নিবন্ধন বা লগইন করতে হবে।

৩. সংশ্লিষ্ট করবর্ষ নির্বাচন করতে হবে।

৪. বেতন, ব্যবসা, বাড়িভাড়া, বিনিয়োগ বা অন্যান্য প্রযোজ্য উৎসের আয় উল্লেখ করতে হবে।

৫. প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সম্পদ, দায়, ব্যয় ও বিনিয়োগসংক্রান্ত তথ্য দিতে হবে।

৬. সিস্টেমে প্রদর্শিত হিসাব যাচাই করে প্রয়োজনীয় কর পরিশোধ করতে হবে।

৭. সব তথ্য যাচাই করে রিটার্ন জমা দিতে হবে এবং জমার প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করতে হবে।

রিটার্ন জমা দেওয়ার পর স্বীকৃতিপত্র বা অ্যাকনলেজমেন্ট রসিদ ডাউনলোড করে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ প্রয়োজন হলে এটি কাজে লাগতে পারে।

কারা অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পাবেন?

ই-রিটার্ন বাধ্যতামূলক হলেও নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির করদাতার জন্য ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। এনবিআরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬–২০২৭ করবর্ষে যাঁরা বাধ্যতামূলক অনলাইন রিটার্ন দাখিলের শর্ত থেকে অব্যাহতি পাবেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—

  • ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী প্রবীণ করদাতা।
  • শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা।
  • বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা।
  • মৃত করদাতার পক্ষে রিটার্ন দাখিলকারী আইনগত প্রতিনিধি।

তবে এসব শ্রেণির করদাতা চাইলে অনলাইনেও রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।

এ ছাড়া প্রযুক্তিগত বা নিবন্ধনসংক্রান্ত সমস্যার কারণে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ই-রিটার্নে নিবন্ধন করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কাগজে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ থাকতে পারে। এ ধরনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের নির্দেশনা অনুসরণ করা প্রয়োজন।

কখন রিটার্ন জমা দিলে কর রেয়াত পাওয়া যাবে?

২০২৬–২০২৭ করবর্ষের জন্য এনবিআরের প্রকাশিত তথ্যে নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিলের সঙ্গে কর রেয়াতের বিষয়টি যুক্ত রয়েছে।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করলে নিট প্রদেয় করের ওপর ৫ শতাংশ কর প্রণোদনা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে এ সুবিধার সর্বোচ্চ সীমা ২৫ হাজার টাকা।

অন্যদিকে, ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে এ প্রণোদনা বা অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হবে না বলে এনবিআরের প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।

পরবর্তী সময়ে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত করের বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, সময়সীমা অনুযায়ী অতিরিক্ত করের হার ও ন্যূনতম পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।

উল্লেখ্য, রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা, প্রণোদনা এবং অতিরিক্ত করের বিধান সংশ্লিষ্ট আইন ও এনবিআরের কার্যকর নির্দেশনার আলোকে যাচাই করা উচিত। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে প্রযোজ্য সুবিধা পাওয়া সহজ হয় এবং শেষ মুহূর্তের জটিলতা এড়ানো যায়।

রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় নিয়ে কী জানা জরুরি?

রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এনবিআরের সাধারণ নির্দেশনায় ব্যক্তি করদাতাদের জন্য করদিবসের কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট করবর্ষে কার্যকর বিশেষ আদেশ বা সময়সীমা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত থাকলে সেটিই অনুসরণ করতে হবে।

২০২৬–২০২৭ করবর্ষের জন্য এনবিআরের প্রকাশিত তথ্যে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিলের সুযোগের উল্লেখ রয়েছে। তবে এ সময় পর্যন্ত রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও সব সময় একই কর সুবিধা পাওয়া যাবে—এমনটি নয়। নির্ধারিত সময়ের পরে রিটার্ন জমা দিলে অতিরিক্ত করের বিধান প্রযোজ্য হতে পারে।

তাই করদাতাদের উচিত রিটার্ন দাখিলের আগে এনবিআরের সর্বশেষ নির্দেশনা দেখে নেওয়া এবং প্রযোজ্য সময়সীমা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা।

করদাতাদের যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে

আয়কর রিটার্নে ভুল তথ্য দেওয়া, আয় গোপন করা কিংবা সম্পদ ও দায়ের তথ্য সঠিকভাবে উল্লেখ না করার কারণে পরবর্তী সময়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ কারণে রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

প্রথমত, বার্ষিক আয়ের হিসাব সঠিকভাবে প্রস্তুত করতে হবে। বেতনভোগীদের ক্ষেত্রে বেতন বিবরণী, উৎসে কর কর্তনের তথ্য এবং প্রযোজ্য অন্যান্য সুবিধার হিসাব যাচাই করা উচিত।

দ্বিতীয়ত, ব্যাংক হিসাব, বিনিয়োগ, সঞ্চয়পত্র, বাড়িভাড়া এবং অন্যান্য আয়সংক্রান্ত তথ্য প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী উপস্থাপন করতে হবে।

তৃতীয়ত, কর রেয়াত দাবি করলে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগ বা ব্যয়ের প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করতে হবে। একই সঙ্গে উৎসে কর্তন করা করের তথ্য সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে, যাতে চূড়ান্ত কর হিসাবের সময় অসংগতি না থাকে।

চতুর্থত, অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার পর স্বীকৃতিপত্র এবং কর পরিশোধের প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করতে হবে।

ছবিতে দেওয়া করমুক্ত আয়ের সীমা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি আয়কর নির্দেশিকাসংক্রান্ত ছবিতে সাধারণ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লাখ টাকা এবং নারী করদাতা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের জন্য ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এনবিআরের জাতীয় বাজেটসংক্রান্ত প্রকাশিত নথিতে ২০২৬–২০২৭ করবর্ষের জন্য সাধারণ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং নারী করদাতা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের জন্য ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা উল্লেখ রয়েছে।

অর্থাৎ, প্রচারিত ছবির সঙ্গে সরকারি বাজেটের নথির তথ্যের অমিল রয়েছে। তাই ছবির তথ্যকে একমাত্র ভিত্তি ধরে আয়কর হিসাব করা উচিত নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এনবিআরের প্রকাশিত আয়কর নির্দেশিকা ও সংশ্লিষ্ট আইন যাচাই করা জরুরি।

কোথায় পাওয়া যাবে সরকারি নির্দেশিকা?

২০২৬–২০২৭ করবর্ষের আয়কর নির্দেশিকা, ই-রিটার্নসংক্রান্ত তথ্য এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাওয়া যাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সরকারি ওয়েবসাইটে।

সরকারি তথ্যসূত্র:

শেষ কথা

২০২৬–২০২৭ করবর্ষে আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়ের সীমা, প্রযোজ্য করহার, ই-রিটার্নের নিয়ম এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দেওয়ার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। অধিকাংশ ব্যক্তি করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হওয়ায় প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র আগে থেকে প্রস্তুত রাখা উচিত।

একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত আয়করসংক্রান্ত তথ্য যাচাই না করে অনুসরণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এনবিআরের সর্বশেষ নির্দেশিকা ও প্রযোজ্য আইন অনুসরণ করে রিটার্ন দাখিল করাই হবে করদাতাদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর পদ্ধতি।

আপনার মতামত লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।