মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশিত পোস্ট ১৬১টি ক্যাটাগরি ২০টি
সর্বশেষ আপডেট ১১:২৩ অপরাহ্ণ লাইভ

পে স্কেল • পেনশন • ছুটি • সরকারি প্রজ্ঞাপন ও গেজেটের সর্বশেষ আপডেট

সরকারি আপডেট
সরকারি ওয়েবসাইটের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন, গেজেট ও পরিপত্র এখানে দেখা যাবে
আইবাস++ সম্পর্কিত

১ অক্টোবর থেকে iBAS++-এ Pay Fixation: ধাপে ধাপে বেতন নির্ধারণ, জেনে নিন কার জন্য কবে কার্যক্রম

১ অক্টোবর থেকে iBAS++-এ Pay Fixation: ধাপে ধাপে বেতন নির্ধারণ, জেনে নিন কার জন্য কবে কার্যক্রম

নতুন জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনলাইনে নতুন বেতন নির্ধারণ বা Pay Fixation কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। অর্থ বিভাগের প্রকাশিত ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’-এর পর এবার iBAS++-এর Pay Fixation সিস্টেমে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সরকারি iBAS++ পোর্টালেও অনলাইন বেতন নির্ধারণের লগইন ব্যবস্থা সক্রিয় দেখা যাচ্ছে।

প্রদত্ত জরুরি নোটিশ ও সময়সূচি অনুযায়ী, ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে প্রথম ধাপে নির্ধারিত কার্যালয়গুলোতে Pay Fixation কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগ ও হিসাবরক্ষণ কার্যালয়কে কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। ফলে ১ অক্টোবর থেকেই দেশের সব সরকারি কর্মচারী একযোগে Pay Fixation করতে পারবেন—বিষয়টি এমন নয়।

নতুন পে-স্কেলের গেজেট অনুযায়ী, বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন কাঠামোর বেতন নির্ধারণ অনলাইনে iBAS++-এর মাধ্যমে করার বিধান রাখা হয়েছে।


১ অক্টোবর থেকেই কেন গুরুত্বপূর্ণ?

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শুধু গেজেট প্রকাশ করাই শেষ ধাপ নয়। প্রত্যেক কর্মচারীর বিদ্যমান মূল বেতন, গ্রেড, ইনক্রিমেন্ট, চাকরির তথ্য এবং প্রযোজ্য বিধান বিবেচনা করে নতুন বেতন নির্ধারণ করতে হবে।

এ জন্য Pay Fixation হচ্ছে বাস্তবায়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ধাপ।

অর্থ বিভাগের প্রকাশিত আদেশ অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। তবে বর্ধিত মূল বেতন একসঙ্গে শতভাগ কার্যকর হচ্ছে না; ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়নের বিধান রয়েছে।

অন্যদিকে, নতুন বেতন নির্ধারণের জন্য কর্মচারীদের অনলাইনে iBAS++-এ তথ্য পূরণ করতে হবে এবং পরবর্তী পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও হিসাবরক্ষণ অফিসের যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।


কোন তারিখে কোন বিভাগের Pay Fixation?

প্রদত্ত জরুরি নোটিশের সময়সূচি অনুযায়ী কার্যক্রমটি ধাপে ধাপে পরিচালিত হবে। সংক্ষেপে সময়সূচি হলো—

তারিখ বিভাগ/কার্যালয় কার্যক্রম
১ অক্টোবর ২০২৬ ঢাকা সিজিএ, অর্থ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কার্যালয়
৫ অক্টোবর ২০২৬ ঢাকা সকল সিএও/হিসাবরক্ষণ কার্যালয়
৮ অক্টোবর ২০২৬ ঢাকা ঢাকা বিভাগের সংশ্লিষ্ট ডিএও ও ইউএও
৮ অক্টোবর ২০২৬ রাজশাহী রাজশাহী বিভাগের সংশ্লিষ্ট ডিএও ও ইউএও
১২ অক্টোবর ২০২৬ চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম বিভাগের সংশ্লিষ্ট ডিএও ও ইউএও
১৫ অক্টোবর ২০২৬ সিলেট সিলেট বিভাগের সংশ্লিষ্ট ডিএও ও ইউএও
১৫ অক্টোবর ২০২৬ ময়মনসিংহ ময়মনসিংহ বিভাগের সংশ্লিষ্ট ডিএও ও ইউএও
১৫ অক্টোবর ২০২৬ রংপুর রংপুর বিভাগের সংশ্লিষ্ট ডিএও ও ইউএও
১৮ অক্টোবর ২০২৬ খুলনা খুলনা বিভাগের সংশ্লিষ্ট ডিএও ও ইউএও
১৮ অক্টোবর ২০২৬ বরিশাল বরিশাল বিভাগের সংশ্লিষ্ট ডিএও ও ইউএও

অর্থাৎ, নিজ নিজ হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের নির্ধারিত তারিখই কর্মচারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।


iBAS++-এ কীভাবে Pay Fixation-এর প্রক্রিয়া এগোবে?

সরকারি iBAS++-এর অনলাইন বেতন নির্ধারণী পেজে বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর এবং ক্যাপচা দেওয়ার ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে। এরপর ভেরিফিকেশন কোড/OTP ব্যবস্থাও রয়েছে।

সাধারণভাবে প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ধাপে ভাগ করা যায়—

iBAS++-এ প্রবেশ
↓
Pay Fixation অপশন নির্বাচন
↓
প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত ও চাকরিসংক্রান্ত তথ্য পূরণ
↓
নতুন বেতন নির্ধারণের তথ্য যাচাই
↓
DDO-এর কাছে সাবমিট
↓
DDO কর্তৃক যাচাই
↓
হিসাবরক্ষণ অফিসে যাচাই/প্রতিপাদন
↓
Verification Number/অনুমোদন
↓
নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন প্রদানের কার্যক্রম

নতুন ব্যবস্থায় কর্মচারীর অনলাইন সাবমিশনের পর DDO এবং হিসাবরক্ষণ অফিসের পর্যায়ও গুরুত্বপূর্ণ। তাই শুধু ফরম পূরণ করলেই Pay Fixation সম্পূর্ণ হয়েছে—এমনটি ধরে নেওয়া যাবে না।


লগইনের সময় কী কী তথ্য লাগতে পারে?

সরকারি iBAS++-এর অনলাইন বেতন নির্ধারণী পেজে বর্তমানে যেসব তথ্যের ঘর দেখা যাচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর
  • জন্মতারিখ
  • মোবাইল নম্বর
  • ক্যাপচা
  • পরবর্তী পর্যায়ে ভেরিফিকেশন কোড/OTP

iBAS++-এর বর্তমান লগইন ব্যবস্থায় ৪ সংখ্যার ভেরিফিকেশন কোড মোবাইল বা ই-মেইলে পাঠানোর ব্যবস্থার কথাও দেখা যাচ্ছে।

তবে কর্মচারীর ধরন ও iBAS++ ব্যবহারের অধিকার অনুযায়ী প্রবেশপদ্ধতি আলাদা হতে পারে। তাই সিস্টেমে যে নির্দেশনা প্রদর্শিত হবে সেটিই অনুসরণ করতে হবে।


গেজেটেড ও নন-গেজেটেড কর্মচারীর ক্ষেত্রে পার্থক্য

প্রকাশিত নির্দেশনা নিয়ে সাম্প্রতিক ব্যাখ্যাগুলোতে গেজেটেড ও নন-গেজেটেড কর্মচারীদের iBAS++-এ প্রবেশের পদ্ধতিতে পার্থক্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। গেজেটেড কর্মচারীদের ক্ষেত্রে iBAS++ User ID/Password এবং নন-গেজেটেড কর্মচারীদের ক্ষেত্রে NID, জন্মতারিখ ও OTP-ভিত্তিক প্রবেশের ব্যবস্থা প্রযোজ্য হতে পারে।

তাই একজন কর্মচারী অন্য ধরনের কর্মচারীর Login পদ্ধতি অনুসরণ করে সমস্যায় পড়তে পারেন। নিজের শ্রেণি ও অফিসের জন্য নির্ধারিত অপশন ব্যবহার করাই গুরুত্বপূর্ণ।


Pay Fixation-এর আগে যেসব তথ্য মিলিয়ে রাখবেন

নতুন বেতন নির্ধারণে ভুল এড়াতে আগে থেকেই চাকরির তথ্য যাচাই করে রাখা প্রয়োজন।

বিশেষ করে—

১. NID-এর তথ্য

জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম, জন্মতারিখসহ তথ্য সঠিক আছে কি না দেখে নিতে হবে।

২. জন্মতারিখ

NID এবং চাকরির রেকর্ডে জন্মতারিখে অসঙ্গতি থাকলে আগে সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে।

৩. বর্তমান মূল বেতন

৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্য/আহরিত মূল বেতনসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

৪. বর্তমান গ্রেড

কর্মচারী কোন গ্রেডে রয়েছেন, সেটি সঠিকভাবে থাকা প্রয়োজন।

৫. ইনক্রিমেন্ট

সর্বশেষ ইনক্রিমেন্টের তারিখ ও মূল বেতনের তথ্য যাচাই করা উচিত।

৬. পদোন্নতি

সম্প্রতি পদোন্নতি হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট আদেশ ও পূর্ববর্তী Pay Fixation-এর তথ্য প্রস্তুত রাখা দরকার।

৭. উচ্চতর গ্রেড

উচ্চতর গ্রেড, টাইমস্কেল বা সিলেকশন গ্রেডের ইতিহাস থাকলে সংশ্লিষ্ট তথ্যও গুরুত্বপূর্ণ।


নতুন পে-স্কেলে বেতন কত হবে—সেটি কি সবাই নিজে নির্ধারণ করবেন?

না।

Pay Fixation-এর উদ্দেশ্য কর্মচারীকে নিজের ইচ্ছামতো বেতন নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়া নয়। বরং বিদ্যমান বেতন ও চাকরির তথ্য এবং নতুন পে-স্কেলের বিধান অনুযায়ী প্রযোজ্য নতুন মূল বেতন নির্ধারণ করা হবে।

এ কারণে একই গ্রেডে থাকা দুই কর্মচারীর চাকরির ইতিহাস, ইনক্রিমেন্ট বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য ভিন্ন হলে তাদের Pay Fixation-এর ফলও ভিন্ন হতে পারে।

নতুন পে-স্কেলে মোট ২০টি গ্রেড রাখা হয়েছে এবং সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ নির্ধারিত মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। তবে এগুলো সংশ্লিষ্ট গ্রেডের স্কেল; প্রত্যেক কর্মচারীর ব্যক্তিগত Pay Fixation-এর ফল আলাদাভাবে নির্ধারিত হবে।


নতুন বেতন একবারে পুরোটা কার্যকর হচ্ছে না

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—নতুন পে-স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হলেও বর্ধিত মূল বেতনের শতভাগ সুবিধা প্রথম দিন থেকেই কার্যকর হচ্ছে না।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী—

  • ১ জুলাই–৩১ ডিসেম্বর ২০২৬: নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডে বর্ধিত অংশের ৪০ শতাংশ এবং ১০ম–২০তম গ্রেডে ৫০ শতাংশ;
  • ১ জানুয়ারি–৩০ জুন ২০২৭: যথাক্রমে ৭০ শতাংশ ও ৭৫ শতাংশ;
  • ১ জুলাই ২০২৭ থেকে: বর্ধিত মূল বেতনের শতভাগ কার্যকর।

এ ছাড়া নতুন হারে অধিকাংশ ভাতা ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে কার্যকর হওয়ার বিধান রয়েছে।

অর্থাৎ Pay Fixation-এর সময় প্রদর্শিত তথ্য বোঝার ক্ষেত্রে পুরো নতুন স্কেলের মূল বেতন এবং ধাপে কার্যকর বর্ধিত অংশ—এই দুটি বিষয় আলাদা করে বুঝতে হবে।


বকেয়া বেতনের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ

যেহেতু নতুন পে-স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হিসেবে নির্ধারিত, তাই Pay Fixation সম্পন্ন হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বকেয়া বা এরিয়ার হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্ধিত বেতন বাস্তবায়নের কারণে সংশ্লিষ্ট বকেয়া পরিশোধের প্রশাসনিক প্রস্তুতিও রয়েছে। তবে ব্যক্তিভেদে প্রকৃত বকেয়ার পরিমাণ নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বেতন, গ্রেড, কার্যকর ধাপ, প্রাপ্যতার সময় এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের ওপর।


১ অক্টোবর থেকে কি সবাই লগইন করে ফিক্সেশন করবেন?

না—এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা।

প্রদত্ত নোটিশে অঞ্চল ও হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ভিত্তিক সময়সূচি রয়েছে। তাই ১ অক্টোবর থেকে সবার জন্য একইভাবে Pay Fixation উন্মুক্ত—এমন ধারণা করা ঠিক হবে না।

যার অফিস বা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের জন্য ৮ অক্টোবর নির্ধারিত, তাকে ১ অক্টোবরেই ফিক্সেশন করার চেষ্টা না করে নির্ধারিত তারিখের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

একইভাবে ১৫ অক্টোবর বা ১৮ অক্টোবর নির্ধারিত অঞ্চলের কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও নিজ নিজ তারিখ অনুসরণ করতে হবে।


ভুল তথ্য দিলে কী হতে পারে?

Pay Fixation একটি সরকারি বেতন-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। তাই ভুল NID, জন্মতারিখ, পদ, গ্রেড, মূল বেতন, ইনক্রিমেন্ট বা চাকরির ইতিহাস দিলে পরবর্তী পর্যায়ে অসঙ্গতি দেখা দিতে পারে।

বিশেষ করে—

  • ভুল বেতন নির্ধারণ,
  • তথ্য পুনরায় যাচাইয়ের প্রয়োজন,
  • সংশোধনী প্রক্রিয়া,
  • বেতন প্রদানে বিলম্ব

ইত্যাদি প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে।

তাই Submit করার আগে প্রদর্শিত প্রতিটি তথ্য ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।


প্রতারক চক্র থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ

Pay Fixation শুরু হওয়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন লিংক, অ্যাপ, ভিডিও বা ব্যক্তিগত সহায়তার অফার ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কর্মচারীদের উচিত—

iBAS++-এর সরকারি ওয়েবসাইট ছাড়া অজানা লিংকে NID, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর, OTP বা Password না দেওয়া।

সরকারি iBAS++ পোর্টালেই অনলাইন বেতন নির্ধারণের ব্যবস্থা রয়েছে।


নতুন Pay Fixation ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ১০টি বিষয়

১. নতুন পে-স্কেল ২০২৬-এর কার্যকর তারিখ ১ জুলাই ২০২৬।

২. নতুন বেতন নির্ধারণ অনলাইনে iBAS++-এর মাধ্যমে হবে।

৩. ১ অক্টোবর থেকে প্রথম ধাপের কার্যক্রম শুরু হওয়ার সময়সূচি দেওয়া হয়েছে।

৪. সব বিভাগ একই দিনে Pay Fixation করবে না।

৫. নিজ নিজ হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের নির্ধারিত তারিখ অনুসরণ করতে হবে।

৬. NID, জন্মতারিখ, মোবাইল ও চাকরিসংক্রান্ত তথ্য সঠিক থাকা জরুরি।

৭. প্রয়োজন অনুযায়ী OTP/Verification Code ব্যবহার করতে হবে।

৮. কর্মচারীর সাবমিশনের পর DDO ও হিসাবরক্ষণ অফিসের যাচাই গুরুত্বপূর্ণ।

৯. নতুন বেতন শতভাগ একসঙ্গে কার্যকর হচ্ছে না; ধাপে ধাপে কার্যকর হবে।

১০. নতুন ভাতাগুলোর বড় অংশ ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে কার্যকর হওয়ার বিধান রয়েছে।


শেষ কথা

নতুন জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে iBAS++ Pay Fixation এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবায়নধাপগুলোর একটি। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ প্রকাশের পর অনলাইনে বেতন নির্ধারণের আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামো স্পষ্ট হয়েছে।

এখন মূল কাজ হলো প্রত্যেক কর্মচারীর তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করে নির্ধারিত সময়ে অনলাইনে Pay Fixation সম্পন্ন করা। বিশেষ করে ১ অক্টোবর থেকে কার্যক্রম শুরু হলেও সবাইকে ১ অক্টোবরেই ফিক্সেশন করতে হবে না—নিজ নিজ বিভাগ/হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের জন্য নির্ধারিত তারিখ অনুসরণ করাই মূল বিষয়।

সরকারি iBAS++ পোর্টালের অনলাইন বেতন নির্ধারণী ব্যবস্থায় বর্তমানে NID, জন্মতারিখ, মোবাইল এবং OTP-ভিত্তিক যাচাইয়ের ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে।

তাই এখনই সবচেয়ে জরুরি প্রস্তুতি হলো—নিজের NID ও চাকরির তথ্য যাচাই করা, পূর্বের বেতন ও ইনক্রিমেন্টের তথ্য মিলিয়ে রাখা এবং অফিস/হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী Pay Fixation করা।

আপনার মতামত লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।