মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশিত পোস্ট ১৬১টি ক্যাটাগরি ২০টি
সর্বশেষ আপডেট ১১:২৩ অপরাহ্ণ লাইভ

পে স্কেল • পেনশন • ছুটি • সরকারি প্রজ্ঞাপন ও গেজেটের সর্বশেষ আপডেট

সরকারি আপডেট
সরকারি ওয়েবসাইটের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন, গেজেট ও পরিপত্র এখানে দেখা যাবে
অন্যান্য

সরকারি কর্মচারীদের অবসর সুবিধায় নতুন কাঠামো, জানুন কার কত পেনশন

সরকারি কর্মচারীদের অবসর সুবিধায় নতুন কাঠামো, জানুন কার কত পেনশন

সরকারি কর্মচারীদের অবসরকালীন সুবিধা ও পেনশন প্রাপ্যতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের প্রজ্ঞাপনে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল অনুযায়ী প্রথম পেনশন নির্ধারণের হার, বিদ্যমান পেনশনভোগীদের নিট পেনশন পুনর্নির্ধারণ, আনুতোষিক, চাকরিকাল পূর্ণ হওয়ার আগে মৃত্যু বা অক্ষমতার ক্ষেত্রে বিশেষ আর্থিক সহায়তা, পারিবারিক পেনশন এবং ছুটি নগদায়নসহ একাধিক বিষয়ে বিস্তারিত বিধান দেওয়া হয়েছে। অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইটে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রকাশিত হয়েছে।

২৫ বছর বা তার বেশি চাকরিতে প্রথম পেনশন ৯০ শতাংশ

নতুন নির্দেশনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, পেনশনযোগ্য চাকরিকালের ভিত্তিতে প্রথম পেনশন নির্ধারণের হার ২১ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৫ বছর বা তার বেশি পেনশনযোগ্য চাকরিকাল থাকলে প্রথম পেনশন নির্ধারণের হার হবে ৯০ শতাংশ।

প্রজ্ঞাপনে দেওয়া চাকরিকালভিত্তিক হার হলো—

পেনশনযোগ্য চাকরিকাল প্রথম পেনশন নির্ধারণের হার
৫ বছর ২১%
৬ বছর ২৪%
৭ বছর ২৭%
৮ বছর ৩০%
৯ বছর ৩৩%
১০ বছর ৩৬%
১১ বছর ৩৯%
১২ বছর ৪০%
১৩ বছর ৪৮%
১৪ বছর ৫১%
১৫ বছর ৫৪%
১৬ বছর ৫৭%
১৭ বছর ৬৩%
১৮ বছর ৬৫%
১৯ বছর ৬৯%
২০ বছর ৭২%
২১ বছর ৭৫%
২২ বছর ৭৯%
২৩ বছর ৮৩%
২৪ বছর ৮৭%
২৫ বছর ও তদূর্ধ্ব ৯০%

এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ—২৫ বছর চাকরি করলেই প্রত্যেকের হাতে মূল বেতনের ৯০ শতাংশ টাকা পেনশন হিসেবে সরাসরি চলে আসবে—এমন অর্থ নয়। প্রজ্ঞাপনে এটি ‘প্রথম পেনশন নির্ধারণের হার’ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। ব্যক্তির প্রকৃত পেনশন নির্ধারণে প্রযোজ্য মূল বেতন, পেনশনযোগ্য চাকরিকাল ও অন্যান্য বিধিবদ্ধ বিষয় বিবেচনা করতে হবে।

৫ থেকে ২৪ বছরের চাকরিকালেও নির্ধারিত হারে পেনশন

পেনশনযোগ্য চাকরিকাল ২৫ বছরের কম হলেও নির্দিষ্ট হারে প্রথম পেনশন নির্ধারণের সুযোগ রাখা হয়েছে। চাকরিকাল যত বাড়বে, নির্ধারিত হারও সাধারণভাবে বাড়বে।

প্রজ্ঞাপনে একই সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, ৫ থেকে ২৪ বছরের পেনশনযোগ্য চাকরিকালের ক্ষেত্রে পেনশন প্রাপ্যতা সংশ্লিষ্ট বিধি ও নির্দিষ্ট পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। নিয়মিত অবসর, চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যু, বিধি অনুযায়ী অক্ষমতা, চাকরি বিলুপ্তির মতো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সুবিধা প্রযোজ্য হবে।

বিদ্যমান পেনশনভোগীদের নিট পেনশনেও নতুন হিসাব

নতুন কাঠামোর আরেকটি বড় অংশ হলো বিদ্যমান পেনশনভোগীদের নিট পেনশন পুনর্নির্ধারণ। প্রজ্ঞাপনে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত নিট পেনশনের পরিমাণকে ভিত্তি ধরে ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে বিভিন্ন স্তরে বৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়েছে।

কাঠামোটি হলো—

৩০ জুন ২০২৬-এর নিট পেনশন বৃদ্ধির হার পুনর্নির্ধারিত ন্যূনতম নিট পেনশন সর্বোচ্চ নিট পেনশন
সর্বনিম্ন–৯,০০০ টাকা ১০০% ১০,০০০ টাকা ১৮,০০০ টাকা
৯,০০১–২০,০০০ টাকা ৭৫% ১৮,০০১ টাকা ৩৫,০০০ টাকা
২০,০০১–৩০,০০০ টাকা ৬৫% ৩৫,০০১ টাকা ৪৯,০০০ টাকা
৩০,০০১–৪০,০০০ টাকা ৬০% ৪৯,০০১ টাকা ৬২,০০০ টাকা
৪০,০০১ টাকা ও তদূর্ধ্ব ৫৫% ৬২,০০১ টাকা ৭০,২০০ টাকা

অর্থাৎ, যাদের বর্তমান নিট পেনশন তুলনামূলক কম, তাদের জন্য বৃদ্ধির হার তুলনামূলক বেশি রাখা হয়েছে। সর্বনিম্ন স্তরে বৃদ্ধির হার ১০০ শতাংশ, এরপর পর্যায়ক্রমে ৭৫, ৬৫, ৬০ ও ৫৫ শতাংশ।

৭০,২০০ টাকার বেশি নিট পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে কী হবে?

প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়েও আলাদা নির্দেশনা রয়েছে। যেসব বিদ্যমান পেনশনভোগী ইতোমধ্যে ৭০,২০০ টাকার বেশি নিট পেনশন উত্তোলন করছেন, তারা পরবর্তী বার্ষিক বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টের ১ জুলাই ২০২৭ তারিখ পর্যন্ত বিদ্যমান নিট পেনশন পাবেন।

ফলে নতুন কাঠামো প্রয়োগের ক্ষেত্রে পেনশনভোগীর ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের নিট পেনশনের পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।


আনুতোষিকের হার থাকছে অপরিবর্তিত

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আনুতোষিকের বিদ্যমান হার অপরিবর্তিত থাকবে।

পেনশনযোগ্য চাকরিকাল অনুযায়ী আনুতোষিকের হার হলো—

পেনশনযোগ্য চাকরিকাল আনুতোষিকের হার
৫ বছর বা তদূর্ধ্ব কিন্তু ১০ বছরের কম ২৬৫ টাকা
১০ বছর বা তদূর্ধ্ব কিন্তু ১৫ বছরের কম ২৬৮ টাকা
১৫ বছর বা তদূর্ধ্ব কিন্তু ২০ বছরের কম ২৭৫ টাকা
২০ বছর বা তদূর্ধ্ব ২৮০ টাকা

অর্থাৎ, ২০ বছর বা তার বেশি পেনশনযোগ্য চাকরিকালের জন্য আনুতোষিকের হার প্রতি টাকায় ২৮০ টাকা বহাল থাকবে।


পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই মৃত্যু বা অক্ষমতায় বিশেষ আর্থিক সহায়তা

সরকারি কর্মচারীর চাকরি পেনশনযোগ্য হওয়ার আগেই যদি স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি অক্ষম হয়ে পড়েন অথবা মারা যান, সেক্ষেত্রেও প্রজ্ঞাপনে বিশেষ আর্থিক সহায়তার বিধান রাখা হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ ৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে স্বাস্থ্যগত কারণে অক্ষমতা বা মৃত্যু ঘটলে নির্ধারিত শর্তে কর্মচারী বা তার পরিবারকে এককালীন বিশেষ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

এক্ষেত্রে চাকরির প্রতি বছর বা তার অংশবিশেষের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর সর্বশেষ আহরিত ৩টি মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ হিসাবের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।

অর্থাৎ, পাঁচ বছর পূর্ণ না হওয়ায় কেউ সাধারণ পেনশনের আওতায় না এলেও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তার পরিবার সম্পূর্ণভাবে আর্থিক সহায়তাবঞ্চিত হবে না।


বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামীর আজীবন পারিবারিক পেনশন

মৃত পেনশনভোগী সরকারি কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামীর আজীবন পারিবারিক পেনশন পাওয়ার বিষয়টিও প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে।

প্রচলিত বিধান অনুযায়ী, মৃত কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী পুনর্বিবাহ না করার শর্তে আজীবন পারিবারিক পেনশন পেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে পারিবারিক পেনশন ভোগকালীন পুনর্বিবাহ না করার বিষয়ে নির্ধারিত অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে দাখিলের বিধান রয়েছে।

তবে ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে বয়সী বিধবার ক্ষেত্রে পুনর্বিবাহ না করার অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র দাখিলের শর্ত প্রযোজ্য হবে না বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে।

অর্থ বিভাগের পেনশনসংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনাতেও বিধবা স্ত্রীদের আজীবন পারিবারিক পেনশনসহ পেনশন-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান আলাদাভাবে সংরক্ষিত রয়েছে।


সর্বোচ্চ ১৮ মাসের ছুটি নগদায়ন

অবসরকালীন আর্থিক সুবিধার মধ্যে ছুটি নগদায়নও গুরুত্বপূর্ণ। প্রজ্ঞাপনে অবসরকালে অর্জিত ছুটির বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৮ মাসের ছুটি নগদায়নের বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থাৎ, প্রাপ্য ছুটির সীমার মধ্যে সর্বোচ্চ ১৮ মাসের ছুটির আর্থিক মূল্য পাওয়ার সুযোগ থাকবে। অবসর-উত্তর ছুটি বা PRL এবং ছুটি নগদায়নের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়মে ছুটি রূপান্তরের বিষয়ও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের ভাষ্য অনুযায়ী, অবসরকালীন মূল বেতনের ভিত্তিতে ছুটি নগদায়নের সুবিধা নির্ধারণ করা হবে। এমনকি অবসর-উত্তর ছুটি ভোগ না করলেও নির্ধারিত শর্তে সংশ্লিষ্ট আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।


১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর

প্রজ্ঞাপনের শেষাংশে সংশ্লিষ্ট বিধি, আদেশ, স্মারক ও প্রজ্ঞাপনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন/সংশোধনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী পেনশনভোগীদের নিট পেনশনের প্রাপ্যতা কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

নথিতে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর গণ্য করার বিষয়টিও উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ, নতুন পেনশন কাঠামোর আর্থিক প্রভাব নির্ধারণের ক্ষেত্রে ১ জুলাই ২০২৬ তারিখটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

অর্থ বিভাগ এরই মধ্যে চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬-এর পৃথক নোটিশ প্রকাশ করেছে, যা ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।


কার জন্য কোন বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?

নতুন নির্দেশনাটি বিশ্লেষণ করলে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে কয়েকটি আলাদা প্রভাব স্পষ্ট হয়।

চাকরিতে থাকা কর্মচারীদের জন্য: পেনশনযোগ্য চাকরিকাল ভবিষ্যৎ প্রথম পেনশন নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। ২৫ বছর বা তার বেশি চাকরিকালে নির্ধারিত হার ৯০ শতাংশ।

বর্তমান পেনশনভোগীদের জন্য: ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের নিট পেনশনের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে নতুন নিট পেনশন নির্ধারণ হবে। কম পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার তুলনামূলক বেশি।

অবসরপ্রার্থীদের জন্য: আনুতোষিক ও ছুটি নগদায়নের বিধান বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ২০ বছর বা তার বেশি চাকরিকালে আনুতোষিকের হার ২৮০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১৮ মাসের ছুটি নগদায়নের সুযোগ রয়েছে।

মৃত কর্মচারীর পরিবারের জন্য: চাকরি পেনশনযোগ্য হওয়ার আগে মৃত্যু বা অক্ষমতার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তে এককালীন বিশেষ আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে। একই সঙ্গে বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামীর পারিবারিক পেনশনের বিধানও রয়েছে।

সার্বিকভাবে কী বোঝা যাচ্ছে?

নতুন প্রজ্ঞাপনটি শুধু পেনশনের হার পরিবর্তনের একটি সাধারণ নির্দেশনা নয়; বরং এতে প্রথম পেনশন নির্ধারণ, বিদ্যমান পেনশনের পুনর্নির্ধারণ, আনুতোষিক, অকালমৃত্যু বা অক্ষমতায় আর্থিক সহায়তা, পারিবারিক পেনশন এবং ছুটি নগদায়ন—অবসর-পরবর্তী আর্থিক সুবিধার একাধিক স্তরকে একই কাঠামোর মধ্যে আনা হয়েছে।

বিশেষ করে ২৫ বছর বা তার বেশি পেনশনযোগ্য চাকরিকালে ৯০ শতাংশ প্রথম পেনশন নির্ধারণের হার, বিদ্যমান কম পেনশনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বৃদ্ধির হার, ২০ বছর বা তার বেশি চাকরিকালে ২৮০ টাকা আনুতোষিকের হার এবং সর্বোচ্চ ১৮ মাসের ছুটি নগদায়ন—প্রজ্ঞাপনের উল্লেখযোগ্য বিষয়।

তবে কোনো নির্দিষ্ট সরকারি কর্মচারী বা পেনশনভোগী ঠিক কত টাকা পাবেন, তা নির্ধারণের জন্য শুধু শতাংশ দেখলেই হবে না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির শেষ আহরিত মূল বেতন, পেনশনযোগ্য চাকরিকাল, ৩০ জুন ২০২৬-এর নিট পেনশন, অবসর গ্রহণের ধরন এবং প্রযোজ্য বিধি একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

অর্থ বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন: সরকারি কর্মচারীদের অবসরকালীন সুবিধা/প্রাপ্যতা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন

আপনার মতামত লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।